My account

পুঁই শাক চাষ পদ্ধতি Cultivation method of poi vegetables

পুঁই শাক চাষ পদ্ধতি
পুঁই শাক চাষ পদ্ধতি

পুঁই শাক বা poi vegetables গরম ও আর্দ্র এলাকায় ভালো জন্মে। এটি প্রচুর সূর্যালোক সহ উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়া পছন্দ করে। ঠান্ডা তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি এবং ফসল উৎপাদন হ্রাস পায়। তাই এখনি উপযুক্ত সময় পুঁই শাক চাষের।

পুঁই শাক চাষের মাটির ধরন: পুঁই শাক এমন মাটিতে ভালো হয় যা ভালোভাবে নিষ্কাশিত হয় এবং বেলে থেকে কাদামাটি পর্যন্ত হতে পারে।

পুঁই শাকের জাতের প্রকারভেদ: মোটাডগা সবুজ পুঁই শাক/ মোটাডগা লাল পুঁই শাক/মনীষা/রূপাশা গ্রিন । পুঁই শাক বীজ সংগ্রহ করতে নিচের add to cart অপশনে ক্লিক করুন।

পুঁই শাক চাষের উপযুক্ত অঞ্চল: পুঁই শাক বাংলাদেশের সব অঞ্চলে চাষ করা যায়।

পুঁই শাক চাষের মাটির প্রস্তুতি: জমি আগাছামুক্ত হয়ে গেলে, এটি সাবধানে ৫-৬ বার চাষ ও মই দিতে হবে।

পুঁই শাক রোপণের সময়: ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বীজ বপন করা যায়। সাধারণত, এটি গ্রীষ্মকালীন বর্ষা মৌসুমে সবচেয়ে ভালো হয়।

বীজ ভিজানো: মাঠে বপনের আগে বীজগুলো ১২-১৫ ঘন্টা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

বীজের পরিমাণ: প্রতি ১০০ বর্গমিটারে ৮-১০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন।

পুঁই শাক চারা উৎপাদন: কখনও কখনও চারাগাছ রোপণ এলাকায় উৎপাদন করা হয়। চারাগাছ উৎপাদন করতে বীজগুলো সিডলিং বিছানায় ১০ সেমি দূরে সারিতে বপন করে বা ছিটিয়ে দিয়ে চারা উৎপাদন করা যায়। চারা উৎপাদনের জন্য ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বিছানা বা ছোট পলিথিনের ব্যাগে বীজ বপন করা হয়। বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য ৬৪-৭০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার প্রয়োজন। তাই, শীতকাল শেষে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে বীজ বপন করা ভালো। মাটির উষ্ণতা ও আর্দ্রতার উপর নির্ভর করে ১০-২১ দিনের মধ্যে বীজ অঙ্কুরোদগম শুরু হবে। বীজগুলোকে যদি রাতারাতি পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় তাহলে তা দ্রুত অঙ্কুরোদগম হতে পারে। চারাগাছ দুই সপ্তাহ বয়সী হলে তা মূল ক্ষেতে স্থানান্তর করা যায় অথবা ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে ব্যবহার করা যায়।

পুঁই শাক গাছ লাগানোর দূরত্ব : গাছ লাগানোর সময় সারিতে সারিতে ৩ ফুট এবং গাছ থেকে গাছে ৫০ সেমি দূরত্ব বজায় রাখুন।

পুঁই শাক চাষের সারের পরিমাণ (প্রতি ১০০ বর্গমিটার)

  • গোবর: ৬০ কেজি
  • সরিষার খৈল: ৫০০ গ্রাম
  • ইউরিয়া: ৮০০ গ্রাম
  • টিএসপি: ৫০০ গ্রাম
  • এমওপি: ৫০০ গ্রাম

পুঁই শাক চাষে সার প্রয়োগের পদ্ধতি :

  • জমি প্রস্তুত করার সময় সব টিএসপি বা ডিএপি এবং পটাশ সারের অর্ধেক প্রয়োগ করুন।
  • বীজ বপনের প্রথম কিস্তি ইউরিয়া সার চারা গজানোর ১৫-২০ দিন পর প্রয়োগ করুন।
  • ৩৫-৪০ দিন পরে দ্বিতীয় কিস্তি প্রয়োগ করুন এবং প্রথম কাটা শেষ হওয়ার পর বাকি পরিমাণ প্রয়োগ করুন।

পুঁই শাক চাষে সেচ : বর্ষাকালে সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে, মাটি শুকিয়ে গেলে জল দিন এবং মাটি নিয়মিত আলগা করে দিন।

পুঁই শাক চাষের আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও ছাঁটাই :

  • নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।
  • ফসলের উৎপাদন বাড়াতে মাটিতে মালচ বা বোঁয়া ব্যবহার করুন।
  • চারা ২৫-৩০ সেমি উঁচু হলে, আরও ঘন গাছের জন্য ডগা ছাঁটুন।

পুঁই শাক রোগ ও পোকামাকড়ের সমস্যা

পাতার পচা রোগ (বীজবাহিত):
প্রতিকার: প্রতি ১০ দিন অন্তর কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন বাভিসটিন বা নোইন ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

কাঁড়ির পচা রোগ:
প্রতিকার: পাতার পচা রোগের মতো একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

পুঁই শাক চাষ কাটা :

  • বীজ বা চারা লাগানোর ৪৫-৫০ দিন পরে পুঁই শাক কাটা যায়।
  • এক মৌসুমে ৮-১০ বার ফসল কাটা সম্ভব।

পুঁই শাকের প্রত্যাশিত ফলন ;

  • হেক্টর প্রতি ৬০-৭৫ টন।
  • ১০০ বর্গমিটারে ২০০-৩০০ কেজি।

আশা করি এই তথ্য আপনার জন্য উপকারী হবে। যদি আপনার আরও কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টে জানাবেন।বাগান বিষয়ে সব আপডেট সবার আগে পেতে ফলো করে রাখুন শখের এগ্রো ফেসবুক পেইজটি।

পরিশেষে একটি অনুরোধ , যদি মনে করেন বাগান বিষয়ক পোস্ট বাগানীদের উপকারে আসবে, তাহলে শখের এগ্রোর ফেসবুকের পোস্ট টি শেয়ার করুন, এবং পরবর্তীতে কোন বিষয়ে জানতে চান কমেন্ট করে জানিয়ে দিন । ধন্যবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
×
ক্যাশ অন ডেলিভারিতে
অর্ডার করতে আপনার তথ্য দিন
📧 Email দিলে পরের অর্ডারে ১০% ডিসকাউন্ট
শিপিং মেথড

শিপিং চার্জ লোড হচ্ছে...

Tk 0.00
সাব টোটালTk 0.00
ডেলিভারি চার্জTk 0.00
সর্বমোটTk 0.00
Updating...

Shopping Cart (0)

আপনার কার্ট সম্পূর্ণ ফাঁকা!

শপিং চালিয়ে যান
Scroll to Top
Scan the code