এসব প্রজাতি গাছ, গুল্ম, লতা ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে ডুমুর নামে পরিচিত। বিশ্বের যে কোন পরিবেশে ডুমুর জন্মাতে পারে । পানি পূর্ন স্থান কিংবা মরুভূমিতে, তবে উষ্ণ আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো হয়। পৃথিবীতে প্রথম চাষ করা শষ্য হচ্ছে ডুমুর। সম্প্রতি গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে আজ হতে 11400 বছর পূর্বেও ডুমুরের চাষ হতো যাতে রয়েছে অসাধারণ ঔষধি গুন ৷ কোন কোন প্রতিষ্ঠান এর জাত উন্নয়ন করে ডুমুরের বিভিন্ন বানিজ্যিক নাম দিয়ে থাকেন। তবে কোন জাতকেই ভৌগোলিক সীমা রেখায় আটকে রাখা যায় না। আর ডুমুরের বেলায় তো আরো সম্ভব না। কারন ডুমুর কাটিং / বীজ থেকে সহজেই চারা হয়।
এবং এর পরাগায়নের জন্য নারী পুরুষ ফুল, এসবের প্রয়োজন পরে না। সকল ডুমুর খাওয়ার উপযোগী হয় না। কিছু জাতের বানিজ্যিক চাষ হয়,কিছু অর্নামেন্টাল, আর কিছু জঙ্গলী জাত। আমাদের সুপরিচিত বট গাছও একটি ডুমুর প্রজাতি। ডুমুর হচ্ছে একটি ফেইক (মিথ্যা) ফল। আমরা যা খাই বা দেখি সেটা হচ্ছে প্রকৃত একটা ফুল। বহিরাবারণ বা ত্বক দ্বারা ঢাকা থাকায় আমাদের তা দৃষ্টিগোচর হয় না। আর এই ফুলের মধু হচ্ছে এর মিষ্টতা। সবাইকে ডুমুর ফুলের শুভেচ্ছা।
ডুমুর গাছের পরিচর্যা :
আলোর অবস্থা – 6 ঘন্টারও বেশি সরাসরি সূর্যালোক।
জল দেওয়ার সময়সূচী – উপরের মাটি (2-3 ইঞ্চি) স্পর্শ করতে শুষ্ক মনে হলে জল দিন। সর্বদা রুট জোনের কাছাকাছি আর্দ্রতা বজায় রাখুন। নিশ্চিত করুন যে আপনার পাত্রে একটি ড্রেনেজ গর্ত থাকা উচিত যদি একটি পাত্রে রোপণ করা হয়।
মাটির ধরন – মাটি ভালোভাবে নিষ্কাশনযোগ্য, উর্বর এবং জৈব উপাদানে সমৃদ্ধ হওয়া উচিত। ডুমুর গাছ প্রায় সব ধরনের মাটিতে জন্মাতে পারে।
সার প্রয়োগ – প্রাথমিকভাবে 1 বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার যেকোনো জৈব সার প্রয়োগ করুন। পূর্ণ স্থাপনের পর যে কোনো জৈব সার প্রয়োগ করুন (বছরে 2-3 বার) অথবা ফুল আসার আগে।
উদ্ভিদ সুরক্ষা – প্রতিটি ফলের ঋতু শেষ হওয়ার পরে গাছের নিয়মিত ছাঁটাই করুন। প্রাথমিক চিকিত্সার জন্য পোকামাকড় এবং কীটপতঙ্গের আক্রমণ পাওয়া গেলে নিম তেল প্রয়োগ করুন।


Reviews
There are no reviews yet